স্কাউটিং ও গার্ল গাইডিং একটি অরাজনৈতিক সেবামূলক সংগঠন। বিশ্বব্যাপী এর পরিচিতি রয়েছে। বালকদের স্কাউট এবং বালিকাদের গাইড বলা হয়। রবার্ট স্টিফেনসন স্মিথ লর্ড ব্যাডেন পাওয়েল স্কাউটিং ও গাইড আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা। তিনি জাতিতে ইংরেজ ও পেশায় সৈনিক ছিলেন। ১৮৫৭ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি তারিখে তিনি ইংল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেন। স্কাউটিং ও গাইড পদ্ধতিতে বালক-বালিকাদের নৈতিক চরিত্র গঠনে এর কার্যকর ভূমিকায় উদ্বুদ্ধ হয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে স্কাউটিং ও গার্ল গাইড আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। গাইড আন্দোলনের জন্য তিনি তার বোন এগনেস ব্যাডেন পাওয়েল ও তার স্ত্রী অলিভ ব্যাডেন পাওয়েলকে দায়িত্ব প্রদান করেন। তাঁরা গাইড আন্দোলনকে সাফল্যজনকভাবে পরিচালিত করে সর্বত্র এর প্রসার ঘটান। বাংলাদেশে স্কাউটিং ও গার্ল গাইড কর্মসূচি চালু হয় বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের পরপর ১৯৭২ সালে। এসব কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নের ফলে দেশের বালক-বালিকাদের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধের উন্মেষ ও উন্নয়ন ঘটানো এবং তাদেরকে সমাজ-সচেতন দৃষ্টিভঙ্গির অধিকারী হিসেবে গড়ে উঠতে সাহায্য করছে।
স্কাউট ও গার্ল গাইডগণ জনসেবামূলক বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পাদন করে থাকে। স্কাউটিং ও গার্ল গাইডিং মূলনীতির ওপর ভিত্তি করে শ্লোগান প্রচার করা হয়। এই শ্লোগান হচ্ছে:-
'প্রতিদিন কারো না কারো উপকার করা।' যেমন:
১। রাস্তা থেকে ইট, পাথর, কাঁটা, কলার খোসা তুলে ফেলা।
২। কারো জিনিস পড়ে গেলে তা তুলে দেওয়া।
৩। অন্ধ ও শিশুকে রাস্তা পার হতে সাহায্য করা।
৪। রাস্তার কোনো ছোটো গর্ত ভরাট করে দিয়ে লোক চলাচলে সাহায্য করা।
৫। আহত ব্যক্তিকে দ্রুত চিকিৎসা সেবা দেওয়ার জন্য হাসপাতালে নেওয়া।
৬। বন্যায় ত্রাণকাজে সহায়তা করা ইত্যাদি।
| কাজ-১: স্কাউটিং ও গার্ল গাইড কর্মসূচি জীবনে কেন প্রয়োজন? বর্ণনা কর। কাজ-২: সেবামূলক কাজ কী কী তার তালিকা তৈরি করে পোস্টার আকারে উপস্থাপন কর। |
Read more